আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে ইরানি দ্বীপ লারাকে মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাব দিতে জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোরের দিকে এক বিবৃতিতে এ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লারাক দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর ‘কিং হুসেইন’ এবং ‘আজরাক’ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে রোববার মধ্যরাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, কিং হুসেইন ও আজরাক বিমান ঘাঁটির প্রযুক্তিগত ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে যদি মার্কিন বাহিনী ইরানের ভূখণ্ডে নতুন করে কোনো হামলা চালায়, তবে তার পাল্টা জবাব হবে আরও ভয়াবহ।
এর আগে রোববার রাতে হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে অবস্থিত লারাক দ্বীপে বিমান অভিযান চালিয়ে দুটি লাঞ্চার ধ্বংস করে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী। ওই হামলার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের (সেন্টকম) পক্ষ থেকে জানানো হয়, লারাক দ্বীপের এই দুটি লাঞ্চার হরমুজে জলমাইন স্থাপনের কাজে ব্যবহার করা হতো। কয়েক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে আইআরজিসির পেতে রাখা সব মাইন অপসারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে লারাক দ্বীপে হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে কড়া হুঁশিয়ারি দেন ইরানের সংসদ সদস্য ইব্রাহিম আজিজি। তিনি বলেন, “কোনো অপরাধকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রতিটি হামলার জবাবে বিধ্বংসী, যন্ত্রণাদায়ক এবং শিক্ষামূলক পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। পাল্টা হামলা আসছে, এবার শুধু দৌড়ান।”
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ












