আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে ইরাকের ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স গ্রুপ’। সম্প্রতি মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পকে হত্যাকারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে এই বিপুল অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, দলের সদস্য ও সমর্থকদের অনুদানের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সত্তা বা প্রতিষ্ঠানের নির্দেশে এই কাজ করা হলেও পুরস্কারটি প্রযোজ্য হবে। বিবৃতিতে ট্রাম্পকে ‘বিজ্ঞানী ও শিশুদের হত্যাকারী’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী মুক্ত মানুষেরা তাকে কখনো স্বস্তিতে থাকতে দেবে না। জনগণের ক্ষোভ থেকে কোনো অপরাধী নিরাপদ আশ্রয় পাবে না। যোদ্ধাদের জন্য প্রতিশোধ নেওয়াকে ‘বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার’ উল্লেখ করে তারা আরও জানায়, শহীদদের রক্ত অভিশাপ হয়ে দাম্ভিকদের সিংহাসন কাঁপিয়ে দেবে।
এদিকে, ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’র পরও ইরানে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় ইরানের মিনাবের একটি স্কুলকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যাতে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ইরানের পরমাণু প্রকল্পেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সেন্টকম জানিয়েছে, মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাসে টানা সাত রাত ধরে তাদের এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে এই বিমান অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে ইরান। শুক্রবার রাতের হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি এক কড়া বার্তায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি এমন হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে ইরান নিজেকে শুধু পাল্টা হামলার মধ্যেই সীমিত রাখবে না; পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে নামবে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের কোনো রাজনৈতিক সীমান্তই সুরক্ষিত থাকবে না।’
বাংলাফ্লো/এফআইআর












