বাংলাফ্লো ডেস্ক
ঢাকা: আজ বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার দিবসটি পালিত হয়, যা এ বছর ২১ জুন পড়েছে। সন্তানের জীবনে বাবার অসামান্য অবদানকে সম্মান ও স্বীকৃতি জানাতেই বিশ্বব্যাপী এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়ে থাকে।
বাবা দিবসের ধারণাটি পশ্চিমা বিশ্ব থেকে এলেও বর্তমানে বাংলাদেশসহ প্রায় সব দেশেই এটি উদযাপিত হয়। বাংলাদেশেও বাবাদের প্রতি ভালোবাসা জানাতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিশেষ অনুষ্ঠান, আলোচনাসভাসহ নানা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পেছনে সনোরা স্মার্ট ডড নামের এক নারীর অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। ১৯০৯ সালের আগে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাবা দিবস বলে কোনো বিশেষ দিন ছিল না। সে সময় স্থানীয় একটি গির্জায় মা দিবস পালনের কথা শুনে তিনি অবাক হন যে, মা দিবসের মতো বাবাদের সম্মান জানানোর কোনো দিন নেই। মায়ের মৃত্যুর পর শত দুঃখ-কষ্টের মধ্যে তাদের সাত ভাইবোনকে বড় করে তুলেছিলেন তার সিঙ্গেল বাবা। বাবার এই অসামান্য আত্মত্যাগ ও ভালোবাসা দেখে ডড অনুভব করেন, বাবাকে সম্মান জানানোর জন্যও একটি নির্দিষ্ট দিন থাকা প্রয়োজন।
এরপর তিনি বাবা দিবসের স্বীকৃতির জন্য সোচ্চার হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ এক বছরের চেষ্টায় স্থানীয় কমিউনিটিগুলোকে যুক্ত করে তিনি এই দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেন। তার এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই ১৯১০ সালের ১৯ জুন বিশ্বে প্রথমবারের মতো বাবা দিবস পালিত হয়।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






