আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: জোরপূর্বক শ্রম (ফোর্সড লেবার) ইস্যুতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এসব দেশের ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য অযৌক্তিক বাধা এবং মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)। রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ইউএসটিআর-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ, কানাডা, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, মেক্সিকো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ ১৪টি দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে, তদন্তের আওতায় থাকা বাকি ৪৫টি দেশের পণ্যের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়েসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে জানান, অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি রোধে ব্যর্থ হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে ইউএসটিআর একটি বিশেষ টেক্সটাইল ব্যবস্থার প্রস্তাব করেছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও বস্ত্রপণ্য কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এর পরিমাণ বা শুল্ক হারের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতার আওতায় ট্রাম্প প্রশাসনের আগের কয়েকটি শুল্ক বাতিল করার পর নতুন আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে এই শুল্ক আরোপের চেষ্টা চলছে। আগামী ২৪ জুলাই ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ১০ শতাংশ সাময়িক শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে নতুন এই প্রস্তাব সামনে এলো।
বাংলাফ্লো/এফআইআর












