বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: রূপালি পর্দায় তিনি যেমন ‘বলিউড বাদশাহ’, ব্যক্তিজীবনেও তাঁর হৃদয় যে কতটা বিশাল, তার প্রমাণ মিলেছে বহুবার। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর শাহরুখ খানের এমনই এক মহানুভবতার গল্প নতুন করে সামনে এনেছেন প্রবীণ প্রযোজক কেসি বোকাদিয়া। ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া তাঁর প্রযোজিত ‘হাম তুমহারে হ্যায় সনম’ সিনেমার চরম ব্যবসায়িক ব্যর্থতার পর প্রযোজককে বাঁচাতে নিজের পারিশ্রমিকের বকেয়া টাকা নিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন কিং খান!
সে সময়কার অন্যতম আলোচিত ও তারকাবহুল এই সিনেমায় শাহরুখের সহশিল্পী ছিলেন সালমান খান ও মাধুরী দীক্ষিত। স্বাভাবিকভাবেই দর্শকদের প্রত্যাশার পারদ ছিল তুঙ্গে। কিন্তু মুক্তির পর বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে সিনেমাটি। এতে চরম আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েন প্রযোজক। জানা যায়, ওই সিনেমার জন্য শাহরুখের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রায় ৯৫ লাখ টাকা। বিশাল লোকসানের মাঝেও প্রযোজক বোকাদিয়া কাউকেই ঠকাতে চাননি, তাই তিনি নিজ উদ্যোগেই অভিনেতাদের পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
কিন্তু যখনই তিনি শাহরুখ খানকে তাঁর পারিশ্রমিকের বাকি টাকা পরিশোধের প্রস্তাব দেন, তখন এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন এই সুপারস্টার। তিনি প্রযোজককে সাফ জানিয়ে দেন, এই বকেয়া অর্থ তিনি কিছুতেই গ্রহণ করবেন না। কারণ হিসেবে শাহরুখ সে সময় বলেছিলেন, তিনি চাইলে এই পরিমাণ অর্থ অন্য যেকোনো জায়গা থেকেই খুব সহজে আয় করে নিতে পারবেন; কিন্তু প্রযোজক যদি এই টাকা শোধ করতে যান, তবে তাঁকে নিজের বসতবাড়ি বিক্রি করে দিতে হবে। আর শাহরুখ কোনোভাবেই চাননি তাঁর কারণে একজন প্রযোজক পথে বসুক। কেসি বোকাদিয়া একাধিকবার জোরাজুরি করেও কিং খানকে ওই টাকা নিতে রাজি করাতে পারেননি।
বাংলাফ্লো/এম এইচ এইচ






