লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া উন্নত করতে অনেকেই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ডায়েট অনুসরণ করেন। তবে অত্যন্ত কার্যকরী একটি সাধারণ অভ্যাস প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায়, আর তা হলো—প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া। পুষ্টি ও দেহঘড়ি বিজ্ঞানের গবেষণা বলছে, টানা ৯০ দিন বা কয়েক মাস ধরে প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেলে শরীর ধীরে ধীরে মানিয়ে নেয় এবং এর কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
আমাদের শরীর একটি নির্দিষ্ট দৈনিক ছন্দ বা রুটিন মেনে চলতে পছন্দ করে। গবেষকরা জানান, প্রথম কয়েক সপ্তাহ নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার ফলে ক্ষুধার হরমোনগুলো একটি ছন্দে অভ্যস্ত হতে শুরু করে, যার ফলে অসময়ে ক্ষুধা বা রাত জেগে খাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। এক মাস পর শরীরের শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল হয়, রক্তে শর্করার ওঠানামা রোধ হয় এবং হজমশক্তি উন্নত হয়ে পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দূর হয়। আর দুই থেকে তিন মাস পর এই রুটিনটি পুরোপুরি অভ্যাসে পরিণত হয়। তখন গভীর রাতে খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়, ভালো ঘুম হয় এবং শরীর অতিরিক্ত শক্তিকে চর্বি হিসেবে জমানো কমিয়ে দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের সময় মেটাবলিজমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শরীর দিন ও রাতে ভিন্নভাবে কাজ করে। দিনের বেলায় শরীর খাবার থেকে শক্তি উৎপাদন করে আর রাতে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। তবে তারা মনে করিয়ে দেন যে, শুধু নির্দিষ্ট সময়ে খেলেই হবে না; এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম ও পুষ্টিকর সুষম খাবার গ্রহণও মেটাবলিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সমানভাবে জরুরি।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






