জেলা প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালির উত্তেজনার মাঝেই দেশের জ্বালানি খাতে কিছুটা স্বস্তির খবর। হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়ে তরল গ্যাস (এলএনজি ও এলপিজি) বহনকারী ৪টি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে আরও একটি এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও ৩টি জাহাজের বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে।
ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে রোববার দুপুর ২টায় জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে বিপুল পরিমাণ এলএনজি নিয়ে ৩ মার্চ ‘আল জোরা’ এবং ৫ মার্চ ‘আল জাসাসিয়া’ বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া ওমান থেকে ‘জি-ওয়াইএমএন’ (২৬ ফেব্রুয়ারি) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) নিয়ে ‘বে-ইয়াসু’ (৫ মার্চ) বন্দরে নোঙর করেছে।
কাতারের রাস লাফান থেকে রওনা হওয়া ‘লুসাইল’ আগামী ৯ মার্চ, ‘আল গালায়েল’ ১১ মার্চ এবং ‘লেব্রেথাহ’ ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর শিডিউলে রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, মোট ৮টি গ্যাস ও জ্বালানিবাহী জাহাজ আগেই নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে ৪টি পৌঁছেছে, একটি আজ আসছে এবং বাকি ৩টি পথে (পাইপলাইনে) রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ জ্বালানি এই রুটেই আসে। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






