বাংলাফ্লো প্রতিবেদক
ঢাকা: দীর্ঘ ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গভবনের দরবার হলে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে বঙ্গভবনে উপস্থিত ছিলেন ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতারা। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায় এবং নির্বাচিত সরকারের এই দায়িত্ব গ্রহণকে বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পরপরই ৪৮ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠিত এই মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের মিশেল ঘটানো হয়েছে। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মন্ত্রিসভায় চমক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন আন্দোলন-সংগ্রামের পরিচিত মুখ এবং শরিক দলের নেতারাও।
শপথ নিলেন যারা: পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম ও আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ ২৫ জন জ্যেষ্ঠ নেতা।
অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর (ভিপি নুর), গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, এনডিএম-এর ববি হাজ্জাজ এবং বিএনপির ইশরাক হোসেন ও তাবিথ আউয়ালের মতো নেতারা। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও মন্ত্রিসভায় ভিন্ন মত ও দলের নেতাদের অন্তর্ভুক্তি একটি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ সরকারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






