আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: অস্ট্রেলিয়ায় হানুকাহ উৎসবে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তা তুলসী গ্যাবার্ড। এই হামলার জন্য তিনি পশ্চিমা বিশ্বের ‘বাছবিচারহীন’ অভিবাসন নীতিকে দায়ী করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনা পশ্চিমা দেশগুলোকে ধীরে ধীরে ইসলামের দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি বিস্তৃত ও বিপজ্জনক প্রবণতার অংশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে গ্যাবার্ড বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার এই মর্মান্তিক ইসলামপন্থী সন্ত্রাসী হামলা কাউকে বিস্মিত করা উচিত নয়। এটি নির্বিচার ও যাচাই-বাছাইহীন অভিবাসন নীতিরই চরম পরিণতি।” তার মতে, এই ধরনের হুমকি কেবল অস্ট্রেলিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো পশ্চিমা বিশ্বের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার এখনও সীমিত সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন গ্যাবার্ড। তিনি বলেন, “গণ-অভিবাসন সীমিত না করলে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।”
জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সীমান্ত ও অভিবাসন নীতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন তুলসী গ্যাবার্ড। তিনি প্রস্তাব করেন: ১. অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে ভৌত ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো জোরদার করা। ২. পরিচিত ও সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের দ্রুত বহিষ্কার করা। ৩. ‘টার্গেটেড ডিপোর্টেশন’ বা লক্ষ্যভিত্তিক নির্বাসন নীতি বাস্তবায়ন করা।
গ্যাবার্ডের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। সমালোচকদের মতে, তার এই বক্তব্য একটি বৃহৎ ও বৈচিত্র্যময় ধর্মকে কট্টরপন্থীদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এক করে দেখার ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা বিভাজন বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, সমর্থকদের ভাষ্যমতে, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে গ্যাবার্ডের এই কঠোর অবস্থান বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি ও সময়োপযোগী।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






