বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: হৃতিক রোশনের ‘ফাইটার’-এর পর এবার একই পরিণতির মুখে পড়তে যাচ্ছে রণবীর সিং অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর গোপন অভিযানকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে বলে জানা গেছে। মূলত সিনেমার বিষয়বস্তুতে পাকিস্তানকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটির গল্প গড়ে উঠেছে পাকিস্তানের লিয়ারি শহরের গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে ‘র’-এর একটি রুদ্ধশ্বাস অভিযান নিয়ে। বক্স অফিসে আলোড়ন সৃষ্টি করলেও সিনেমার সংবেদনশীল বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। পাকিস্তান থেকেও ছবিটিকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে এখনো ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির অনুমতি মেলেনি। নির্মাতারা আপ্রাণ চেষ্টা করলেও সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সাধারণত প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আক্রমণাত্মক বা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল কন্টেন্টের বিষয়ে কঠোর নীতি অনুসরণ করে। ‘ধুরন্ধর’-এ পাকিস্তান-বিরোধী উপাদান থাকায় সেখানে ছবিটি নিষিদ্ধ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগেও বলিউড সিনেমার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে। পুলওয়ামা হামলার প্রেক্ষাপট থাকায় হৃতিক রোশন ও দীপিকা পাড়ুকোনের ‘ফাইটার’ মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ হয়েছিল। একই কারণে অক্ষয় কুমারের ‘স্কাই ফোর্স’ এবং জন আব্রাহামের ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ও সেখানে মুক্তির আলো দেখেনি। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর’।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






