লাইফ স্টাইল ডেস্ক
ঢাকা: বর্তমান ব্যস্ত জীবনে স্ট্রেস, পানিশূন্যতা এবং পুষ্টির অভাবে আমাদের ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। দেখা দেয় বলিরেখা, চোখের নিচে ক্লান্তি এবং ত্বক হয়ে পড়ে নিস্তেজ। তবে দামী প্রসাধনীর বদলে দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় কিছু বিশেষ পানীয় যুক্ত করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এসব পানীয়তে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান কোষকে রক্ষা করে, কোলাজেন বজায় রাখে এবং ত্বককে রাখে সজীব ও টানটান।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৪টি পানীয় সম্পর্কে, যা আপনার তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে:
১. ডালিম ও পুদিনার শরবত: ডালিম পলিফেনল এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা ত্বকের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। এর সঙ্গে পুদিনা পাতা যুক্ত করলে তা শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং হজমে সহায়তা করে। পুদিনার প্রাকৃতিক মেন্থল অন্ত্রকে প্রশমিত করে পুষ্টি শোষণে সাহায্য করে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
২. হলুদ ও আদার পানীয়: হলুদে থাকা ‘কারকিউমিন’ প্রদাহ কমাতে জাদুকরী ভূমিকা রাখে, যা অকাল বার্ধক্য রোধে কার্যকর। আদা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এই মিশ্রণের সঙ্গে সামান্য গোলমরিচ যোগ করলে কারকিউমিন শরীরে আরও ভালোভাব শোষিত হয়। এটি ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৩. গাজর ও কমলার জুস: গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকে, যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। অন্যদিকে, কমলায় থাকা ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। এই দুইয়ের মিশ্রণ ত্বকের ক্ষত সারাতে এবং সজীবতা ফিরিয়ে আনতে অত্যন্ত শক্তিশালী।
৪. অ্যালোভেরা ও শসার ডিটক্স ওয়াটার: অ্যালোভেরা জেলে ভিটামিন এ, সি এবং ই থাকে, যা ত্বকের সুরক্ষা দেওয়াল (Skin barrier) মেরামতে কাজ করে। শসা শরীরকে হাইড্রেট করে এবং এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট ত্বকের শুষ্কতা ও ফোলাভাব কমায়। এই পানীয়টি ক্লান্ত ত্বককে নিমিষেই সতেজ করে তোলে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






