আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ঢাকা: বিশ্বজুড়ে নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফিফা শান্তি পুরস্কার উঠল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ এই সংস্থা আগেই জানিয়েছিল, ফুটবল শান্তির প্রতীক এবং যারা মানুষের মধ্যে ঐক্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন, তাদের স্বীকৃতি দেওয়াই এই পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্য। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, “বিশ্ব যখন অস্থির, তখন যারা মানুষকে কাছাকাছি আনছেন, তাদের সম্মান জানানো জরুরি।”
ফিফা জানিয়েছে, গত এক বছরে বিশ্ব শান্তি স্থাপনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে আব্রাহাম অ্যাকর্ড, রুয়ান্ডা–ডিআর কঙ্গো, কম্বোডিয়া–থাইল্যান্ড, কসোভো–সার্বিয়া, ভারত–পাকিস্তান, মিসর–ইথিওপিয়া এবং আর্মেনিয়া–আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি স্থাপনে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েল–হামাস এবং রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে তাঁর চলমান প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনো এর আগে মন্তব্য করেছিলেন যে, ইসরায়েল–গাজা যুদ্ধবিরতির পর ট্রাম্পের কাজ নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। তবে এই পুরস্কার নিয়ে বিতর্কও কম নয়। ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ জানিয়েছে, ট্রাম্প আটটি যুদ্ধ শেষ করার দাবি করলেও অনেক ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ পুরস্কারের মনোনয়ন বা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ফিফাকে চিঠি দিলেও কোনো জবাব পায়নি। ফিফাও এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
পুরস্কার জয়ের মুহূর্তেও ট্রাম্পের আচরণ ছিল বেশ অদ্ভুত। মঞ্চে ডাকা হলে তিনি কেবল পদকটি গলায় পরেন, কিন্তু পাশে রাখা মূল পুরস্কার বা ট্রফিতে হাতও দেননি। মঞ্চে দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা শেষ করেই তিনি চলে যান, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






