বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিংয়ের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শেষ হয়েছে। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে। তদন্ত রিপোর্টে কী আছে তা প্রকাশ না করলেও আসন্ন আসরের ড্রাফটের আগেই অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতে চায় বিসিবি।
বৃহস্পতিবার বিসিবির সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।
বলেছেন, ‘আমরা ৯০০ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদন অ্যালেক্স মার্শালকে দিয়েছি। সে সবকিছু দেখে অপরাধ অনুযায়ী চার্জ ফ্রেম করবে। তারপর সে আমাদের একটা সাজেশন দেবে। সে যে চার্জ ফ্রেম করবে সেটার ওপর ভিত্তি করেই আমরা তাদের খেলতে দিব না। আমরা চাচ্ছি ড্রাফটের আগেই এটা পেতে। সুতরাং একটা টাইমলাইন আছে।’
ফিক্সিংয়ে অভিযুক্তদের তালিকায় ক্রিকেটাররা ছাড়াও সাংবাদিক ও ম্যানেজমেন্টের কেউ কেউ জড়িত ছিল বলেও জানালেন শাখাওয়াত হোসেন। বলেছেন, ‘ড্রাফটের আগে যদি নাম (ফিক্সিংয়ে অভিযুক্তদের) পাই তাহলে ড্রাফটে তাদের নাম থাকবে না। একটা কথা মনে রাখবেন শুধু খেলোয়াড় না কিন্তু সাংবাদিকও আছে, ম্যানেজমেন্টও আছে। শুধু খেলোয়াড় না কিন্তু।’
বিপিএলের আসন্ন আসরের জন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি আইএমজিকে দায়িত্ব দিয়েছে বিসিবি। যে কারণে তারাই এখন বিপিএল আয়োজনের সবকিছু দেখভাল করছে। দল পাওয়ার জন্য আবেদন করা সব প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার আলোচনায় বসেছিল বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল। সেখানে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা বিপিএলে নিলাম পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু বিষয়টি জানিয়েছেন।
বলেছেন, ‘আজকে এটা (বিপিএলে নিলাম) নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা এখন পরবর্তী বিপিএলের সভায় এটা নিয়ে আরও কথা বলব। আমাদের তো সময় আছে। ১৫ তারিখের পরে কিন্তু আমাদের প্লেয়ার্স ড্রাফট। এটা আজকে আমরা শুনেছি, লিখে নিয়েছি। এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করে যেটা ভালো হয় লিগের জন্য সেটা করা হবে।’






