সাদা বলের ক্রিকেটে জাত চিনিয়ে চলেছেন রিশাদ হোসেন। টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডেতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন ২৩ বর্ষী লেগ স্পিনার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ কীর্তি গড়েছেন। প্রথম বাংলাদেশি স্পিনার হিসেবে নিয়েছেন ৬ উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জ্বলতে থাকা স্পিনারকে দ্রুত টেস্ট আঙ্গিনায় দেখতে চান বাংলাদেশের স্পিন কোচ মুশতাক আহমেদ।
মঙ্গলবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নামবে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর দেড়টায় গড়াবে ম্যাচ। আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন টাইগারদের পাকিস্তানি কোচ। রিশাদকে নিয়ে আশার কথাই শোনালেন তিনি।
‘আমি শতভাগ আশা করি (রিশাদ টেস্টে খেলবে)। শেষ চার উইকেট, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মতো দলগুলোর বিপক্ষে যারা শেষদিকেও ভালো ব্যাট করতে পারে।’
‘রিশাদের মতো উচ্চতা এবং বাউন্সসহ একজন লেগ স্পিনার, যিনি ভালো ডেলিভারি করতে পারেন, তিনি খুব মারাত্মক হতে পারেন। শেষ চার ব্যাটার তার ভড়কে দেয়ার মতো ডেলিভারি পড়তে পারবে না। টেস্টের জন্য সে খুব ভালো হতে পারে, কিন্তু তাকে ভালো ওভার করে সেই জায়গা অর্জন করতে হবে।’
‘যদি সে টেস্ট ক্রিকেটের অংশ না হয়, তাহলে স্পষ্টতই, সে চারদিনের ক্রিকেট খেলতে খুব আগ্রহী। তাকে জিজ্ঞাসা করেছি এবং জানিয়েছে, প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলতে খুব আগ্রহী। কারণ সে জানে লাল বলের ক্রিকেট খেলে সে আরও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।’
মিরপুরের উইকেটে বরাবরই সাফল্য মেলে স্পিনারদের। রিশাদের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি। অবশ্য মুশতাকের মনে করছেন, এমন উইকেটে ভালো বোলিং করাটা কিছুটা চাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যাপার।
‘সত্যি বলতে এটা ততটা সহজ নয়। যেমন জিজ্ঞেস করলেন, কখনও কখনও বেশি চাপের মধ্যে থাকতে হয় কারণ আপনাকে সেরাটা দিতে হবে। একজন তরুণ লেগ স্পিনার হিসেবে নার্ভাস হতে পারেন।’
‘কোচিং দৃষ্টিকোণ থেকে আমার কথা হল, প্রক্রিয়া ধরে রাখা। এই পিচগুলো কখনও কখনও কমফোর্ট জোন এবং প্রক্রিয়া থেকে বের করে নিয়ে যেতে পারে। রিশাদ হোসেন খুব ধারাবাহিকভাবে ভালো লাইন ও লেংথে বল করেছে।’


