পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের চলমান সংঘর্ষের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জন্ম নিয়েছে বলে মনে করেন মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা। দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা গতিশীলতা এবং সম্পর্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা হিসেবে চিহিৃত করছেন তারা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দুই প্রতিবেশীকে ‘সংযম প্রদর্শন’ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, আমাদের অবস্থান হল উভয় পক্ষকেই সংযম প্রদর্শন করা উচিত।কারণ তাদের স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘উভয় পক্ষকে সংলাপ ও কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে উত্তেজনা কমাতে এবং শান্তি বজায় রাখতে হবে।’
পাশাপাশি বিরোধগুলো এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে উত্তেজনা কমাতে সাহায্য করে। উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়িয়ে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখার কথা বলেছেন।
উদ্বেগ প্রকাশ করে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছ, ‘সংযম প্রদর্শন, উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়িয়ে, উত্তেজনা হ্রাস এবং দুই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সংলাপ ও শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানাই।’
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ‘সৌদি আরব উভয় দেশকে সংযম, সংলাপ ও প্রজ্ঞা প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের জনগণের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে।’
অপরদিকে, আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকিকে তার প্রথম ভারত সফরে থাকায় সীমান্ত সংঘর্ষের বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।
অন্যদিকে, তালেবানের সাথে নয়াদিল্লির সম্পর্ককে সন্দেহের চোখে দেখেছে ইসলামাবাদ।


