১৭ দিনের বিরতির পর আজ থেকে আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শুরু হয়েছে। আজ রোববার (৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় জুলাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং কমিশনের সদস্যরা বৈঠকে বসেছেন।
এর আগে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রস্তাব আকারে তুলে ধরেছিল কমিশন। সেসময় মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নে ‘সংবিধানিক আদেশ’ জারির প্রস্তাব দিয়েছিল কমিশন। আদেশটি নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট করার প্রস্তাবনাও ছিল।
তবে বিএনপিসহ বেশ কিছু দল এই প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে। দাবি জানায়, বিচার বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার। এসব আলোচনার সমাধান করে ১৫ অক্টোবর মেয়াদ শেষের আগেই সনদ চূড়ান্ত করতে চায় ঐকমত্য কমিশন।
ছয়টি সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়ে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন গঠন করে অন্তবর্তী সরকার। সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আলোচনায় এখন পর্যন্ত ৮৪টি প্রস্তাবে ঐকমত্য হলেও অনেক মৌলিক বিষয়ে মতভিন্নতা রয়েছে।
সবচেয়ে জটিলতা দেখা দেয় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে। সংসদেই চূড়ান্ত ফয়সালা চায় বিএনপি। তবে সাংবিধানিক আদেশ বা গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনি বাধ্যবাধকতা চায় জামায়াত-এনসিপিসহ অন্য দলগুলো।
কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার গণমাধ্যমকে জানান, আলোচনায় দলগুলো একমত না হলে সরকারকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার দেয়া হবে। তবে জুলাই সনদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব না হলে দেশ গভীর সংকটে পড়বে।


