তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
ঢাকা: হোয়াটসঅ্যাপকে আমরা মূলত বার্তা আদান-প্রদান বা ছবি শেয়ারিংয়ের মাধ্যম হিসেবেই জানি। কিন্তু আপনি কি জানেন, বিশ্বের জনপ্রিয় এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটি এখন আয়ের অন্যতম উৎস হতে পারে? সম্প্রতি ‘ফ্রি-ক্যাশ’-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই মোটা অঙ্কের আয় করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে আয়ের ৭টি দুর্দান্ত উপায়।
১. পণ্য ও সেবা বিক্রি: আপনার যদি কোনো ব্যবসা থাকে, তবে হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস অ্যাপের ‘ক্যাটালগ’ ফিচার ব্যবহার করে ভার্চুয়ালি পণ্য সাজাতে পারেন। সরাসরি গ্রাহকদের সঙ্গে চ্যাট করে পণ্য বা সেবা বিক্রি করা এখানে খুব সহজ।
২. অনলাইন টিউটরিং: আপনার যদি কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষতা থাকে, তবে হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কলিং ফিচার ব্যবহার করে দেশ-বিদেশের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে পারেন। ব্যক্তিগত বা গ্রুপ টিউটরিংয়ের মাধ্যমে ভালো আয় করা সম্ভব।
৩. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: নিজের পণ্য না থাকলেও সমস্যা নেই। বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটের পণ্য বা সেবার অ্যাফিলিয়েট লিংক বা ডিসকাউন্ট কোড পরিচিতদের সঙ্গে শেয়ার করে কমিশন আয় করতে পারেন।
৪. অনলাইন ইভেন্ট হোস্টিং: বর্তমানে ওয়েবিনারের যুগ। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন সোশ্যাল বা শিক্ষামূলক ভার্চুয়াল ইভেন্ট আয়োজন করতে পারেন, যার জন্য টিকিট বা রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া যেতে পারে।
৫. পেইড কমিউনিটি তৈরি: বুক ক্লাব, ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ বা বিশেষ কোনো কমিউনিটি তৈরি করে সেখানে মেম্বারশিপ ফি চালু করতে পারেন। বিনিময়ে সদস্যদের এক্সক্লুসিভ তথ্য বা সেবা দিতে হবে।
৬. পেইড নিউজলেটার: আপনার দক্ষতা বা জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে প্রিমিয়াম কন্টেন্ট বা নিউজলেটার তৈরি করে তা সাবস্ক্রিপশনের বিনিময়ে সাবস্ক্রাইবারদের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে পারেন।
৭. স্টিকার বিক্রি: চ্যাটিংকে প্রাণবন্ত করতে স্টিকারের জুড়ি নেই। আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইনে পারদর্শী হন, তবে পপ স্টুডিও বা অন্যান্য টুলের মাধ্যমে আকর্ষণীয় স্টিকার প্যাক বানিয়ে ‘ইটিএসওয়াই’ (Etsy)-এর মতো প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করতে পারেন।
বাংলাফ্লো/এফআইআর






