দুই মাসের মধ্যে খাবারের সংকটে পড়তে যাচ্ছে দেশের ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ। পাশাপাশি তীব্র অপুষ্টির মুখোমুখি হবে ১৬ লাখ শিশু। এমন আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের করা খাদ্য নিরাপত্তা ও অপুষ্টি সংক্রান্ত জাতীয় বিশ্লেষণে।
একদিকে নির্বাচনী তোড়জোর অন্যদিকে খাদ্য সংকট। আগামী ডিসেম্বরে দেশে যখন পুরোপুরি চলবে নির্বাচনী ডামাঢোল, তখন খাবারের সংকটে থাকবে লাখ লাখ মানুষ।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট, ইউনিসেফ এবং বিশ্ব খাদ্য সংস্থার গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়, ১৩ জেলার দেড় কোটি মানুষের জন্য খাদ্য সংকট এখন বড় উদ্বেগের বিষয়। সঙ্গে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য খাবারের চিন্তা। নানা কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিকে খাদ্য সংকটের ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সব জায়গাতেই চাপ পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।
রাজনৈতিক অস্থিরতাকেও ঝুঁকির একটি কারণ মনে করা হচ্ছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর রিসার্চ ডিরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয় এক সাথে বিবেচনায় না নিলে সংকট আরও গভীর হবে।
সাধারণ মানুষ বলছে, দ্রব্যমূল্য কীভাবে বাড়ছে? কৃষক ও নিম্ন আয়ের মানুষ কীভাবে টিকে আছে-এই বিষয়গুলো নির্বাচনের আগেই রাজনীতিবিদদের আলোচনায় থাকা উচিত বলেও মনে করেন তিনি।






